আশুগঞ্জে শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা, অভিযুক্তকে পিটিয়ে পুলিশে দিলো জনতা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে ধর্ষণের পর বালিশ চাপা দিয়ে ৭ বছরের এক শিশু শিক্ষার্থীকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত জাহিদুল (১৮) নামের এক যুবককে আটক করে পুলিশে দিয়েছে স্থানীয় জনতা। তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার আগে শত শত জনতা পুলিশসহ অভিযুক্তকে একটি ভবনে ঘেরাও করে রাখে। পরে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে অভিযুক্তকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার তালশহর ইউনিয়নের আন্দিদিল বাজারসংলগ্ন হাজী কুদ্দুস মিয়ার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও শিশুটির পরিবারের সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকালে জাহিদুল তার নিজ ঘরে ডেকে নিয়ে শিশুটিকে প্রথম ধর্ষণ করে। পরে শিশুটি চিৎকার শুরু করলে বালিশ চাপা দিয়ে নৃশংস ভাবে হত্যা করা হয়। পরে পরিবারের লোকজন রক্তাক্ত অবস্থায় শিশুটি উদ্বাার করে চিকিৎসার জন্য জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক দুপুর আড়াইটায় শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।

অভিযুক্ত জাহিদুল প্রতিবেশী মৃত মো. শাহ আলম মিয়ার ছেলে। জাহিদুল পেশায় রাজমিস্ত্রি কাজ করতেন বলে জানা যায়।

আশুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল আলম চৌধুরী জানান, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। স্থানীয় জনতা জাহিদুলকে আটক করে তার চাচা আলমগীরের বাড়ির একটি কক্ষে আটকে রাখে।

ওসি জানান, খবর পেয়ে পুলিশ তাকে হেফাজতে নেওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয় জনতা পুলিশ ও জাহিদুলকে ঘেরাও করে। এ সময় তারা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে। পরে জেলা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ এনে জাহিদুলকে উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হয়।

পুলিশ জানায়, শিশুটির মরদেহ বর্তমানে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।