কারণ মানবদেহ এই ভিটামিন সরাসরি উৎপাদন করতে পারে না। এ ভিটামিনের জন্য আমাদের নির্ভর করতে হয় যথাযথ খাবার ও ফুড সাপ্লিমেন্টের ওপর। বিশেষ করে নিরামিশাষীদের মধ্যেই ‘বি১২’ ভিটামিনের ঘাটতি দেখা যায়। কারণ এটি ‘প্লান্ট বেসড ভিটামিন’ নয়।
আপনি কীভাবে বুঝবেন শরীরে ভিটামিন বি১২-এর ঘাটতি রয়েছে? এ ভিটামিনের ঘাটতি হলে মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলে। চিন্তাশক্তি ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা কমে যেতে পারে ভিটামিন বি১২-এর অভাব দেখা দিলে।
নানা গবেষণায় প্রমাণ মিলেছে— মস্তিষ্কের স্নায়ুর সঙ্গে জড়িত বিভিন্ন রোগ যেমন— ডিমেনশিয়া, অ্যালঝাইমার্স, পার্কিনসন্সের সঙ্গে ভিটামিন বি১২-এর যোগ রয়েছে। এই ভিটামিনের অভাবে মস্তিষ্কের স্নায়ু শুকিয়ে যেতে পারে। ফলে বয়সের ভার পড়ার আগেই স্মৃতি দুর্বল হয়ে পড়ে। এ ছাড়া ভিটামিন বি১২-এর অভাবে শরীরে রক্তের ঘাটতি হয়। এর ফলে ত্বক বিবর্ণ হতে শুরু করে। ত্বকে শ্বেতি, চুলের রঙ বদলে যাওয়ার মতো সমস্যাও দেখা যায়। আর ভিটামিন বি১২-এর অভাবে পেটের সমস্যাও শুরু হতে পারে। পেটে সংক্রমণ ও প্রদাহের মতো সমস্যা দেখা যায়।
তবে নিরামিষ খাবারে এই ভিটামিনের পরিমাণ কিছুটা কম থাকে। প্রাণিজ খাবারে অপেক্ষাকৃত বেশি পরিমাণে ভিটামিন বি১২ থাকে। ডিম, মাশরুমসহ নানা ধরনের মাংস ও মেটে, সামুদ্রিক মাছের মতো খাবার ভিটামিন বি১২-এর সমৃদ্ধ উৎস। এ ছাড়া আরও কয়েকটি খাবারে ভিটামিন বি১২ পাওয়া যায়। এ ছাড়া দুধ, দই, ছানায়ও ভালো মাত্রায় এই ভিটামিন পাওয়া যায়।
চাকরির বাজার Jobs and Career Solution