সোমবার (০৩ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাঈদ রিমান্ডের এই আদেশ দেন।
ওই ঘটনার পরদিন নিহতের বোন সারাহ সুলতানা পলি অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
তবে পরে কাটা জানালার পাশে এক জোড়া জুতার ছাপ দেখতে পায় সিআইডি। সেই জুতার ছাপের সঙ্গে আসামি সোহেল রানার জুতার ছাপের মিল পাওয়া যায়। সেই জুতার ছাপের সূত্র ধরে সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয় নিহত সারাহ রোকসানা পিনুর স্বামী সোহেল রানাকে।
মামলার এজাহারে বলা হয়, গত ৩০ জুলাই সকাল ১১টা ২০ মিনিটের দিকে পিনুকে একা বাসায় রেখে মেয়েকে স্কুলে পৌঁছে দিয়ে অফিসে যান সোহেল রানা। কেউ আনতে না যাওয়ায় বিকেলে নিহতের ছেলে ওয়ামী বাসায় চলে আসে। বাসায় এসে সে দেখে ঘরের দরজা খোলা, তবে চাপানো। ওয়ামী দেখতে পায় তার মা খাটের ওপর চিৎ হয়ে শুয়ে আছেন এবং তার মুখের ওপর বালিশ রাখা।
ওয়ামী মাকে ডাকাডাকি করে কোনো শব্দ না পেয়ে মুখের ওপর থেকে বালিশ সরায়। তখন মায়ের হাত-পা ঠান্ডা ও শ্বাস বন্ধ আছে বুঝতে পেরে বাসা থেকে স্কুলে গিয়ে প্রিন্সিপালের মোবাইল ফোন থেকে তার বাবাকে ঘটনা জানায়। এরপর তার বাবা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে।
