আগামী বছরের ৫ মার্চ থেকে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে ফ্লাইটের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ছে। নতুন সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী, সপ্তাহে অতিরিক্ত ৩৫টি যাত্রীবাহী এবং ২১টি কার্গো ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে। একই সঙ্গে থাকছে কোড-শেয়ারিং ও উড়োজাহাজ লিজিংয়ের সুবিধা।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকালে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সদর দপ্তরে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এসব তথ্য জানান বেবিচক চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক।
তিনি বলেন, নতুন এই সমঝোতার ফলে দুই দেশের মধ্যে সাপ্তাহিক যাত্রীবাহী ফ্লাইটের অনুমোদিত সংখ্যা ৪৯টি থেকে বাড়িয়ে ৮৪টিতে উন্নীত করা হয়েছে। এই পদক্ষেপের ফলে বিশেষ করে হজ ও ওমরাহ মৌসুমে অতিরিক্ত যাত্রীচাপ ও আসন সংকট দূর হবে।
বর্তমানে সৌদি আরবে প্রায় ৪০ লাখ প্রবাসী বাংলাদেশি বসবাস করছেন। ফ্লাইটের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় তাদের যাতায়াত আরও অনেক সহজ হবে। এছাড়া, এয়ারলাইনগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি পেলে উড়োজাহাজের টিকিট বা বিমান ভাড়াও তুলনামূলকভাবে কমে আসার আশা প্রকাশ করেছে বেবিচক।
ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পাশাপাশি চট্টগ্রাম ও সিলেটের শাহ আমানত ও ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকেও সৌদি আরবের বিভিন্ন গন্তব্যে সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনা করা যাবে।
সপ্তাহে নির্ধারিত ২১টি কার্গো ফ্লাইটের সুযোগ বাণিজ্য ক্ষেত্রে নতুন দুয়ার উন্মোচন করবে। এর মাধ্যমে তৈরি পোশাক ও বিভিন্ন কৃষিপণ্যসহ বাংলাদেশের প্রধান প্রধান রপ্তানিপণ্য দ্রুত সৌদি বাজারে পৌঁছে দেয়া সম্ভব হবে। পাশাপাশি নতুন সমঝোতায় পঞ্চম স্বাধীনতা ট্রাফিক অধিকার, কোড-শেয়ারিং, কো-টার্মিনালাইজেশন এবং ওয়েট লিজে উড়োজাহাজ ব্যবহারের সুযোগও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
বেবিচক চেয়ারম্যান জানান, ফ্লাইটের এই সম্প্রসারণ যাত্রীদের সরাসরি যাতায়াতের সুযোগ বাড়াবে এবং অন্য দেশের ওপর ট্রানজিট নির্ভরতা অনেকটাই কমিয়ে আনবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হলে বর্তমান দুটি টার্মিনালের মধ্যে একটিকে কেবল হজযাত্রীদের নির্বিঘ্ন সেবা দেয়ার উদ্দেশ্যে আলাদাভাবে ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে।
চাকরির বাজার Jobs and Career Solution