রবিবার (১১ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে কক্সবাজার শহরের কলাতলী এলাকা থেকে আটক করা হয় জানিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী।
তিনি জানান, ‘তাজমিন হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তাকে আটক করা হয়েছে। রাজুই নিহত তাজমিনকে ফুসলিয়ে কক্সবাজার নিয়ে এসেছিলেন৷ তাকে কুমিল্লার মামলায় আসামী দেখানো হবে কিনা সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।’
আটক রাজু নিহত তাজমিনের কথিত প্রেমিক। আটক হওয়ার আগে জাতীয় একটি গণমাধ্যমে প্রেম সংক্রান্ত বিষয়ে স্বীকারোক্তি দেন রাজু।
রাজু জানান, ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে তাজমিনের সঙ্গে সম্পর্ক হয় রাজুর। এক পর্যায়ে গত ৬ সেপ্টেম্বর ভোরে কক্সবাজার পৌঁছে তাজমিন। পরে ওই দিন তারা কলাতলীর একটি আবাসিক হোটেলে উঠেন স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে। পরদিন দুপুরে একা কুমিল্লার উদ্দেশে রওনা দেয় তাজমিন।
এরপর কুমিল্লায় এসে পৌঁছানোর পর সেখানে টমটম চালক সুমন মিয়ার হাতে ধর্ষণ ও পরে হত্যাকাণ্ডের শিকার হন। এ ঘটনায় সুমন মিয়াকে আটক করেছে কুমিল্লা পুলিশ। সে তার জবানবন্দিতে হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেছে।
চাকরির বাজার Jobs and Career Solution