পুলিশ ক্লিয়ারেন্সে ঘুষ দাবি, অডিও ভাইরাল

শরীয়তপুরের জাজিরা থানায় পুলিশ ক্লিয়ারেন্স নিতে গিয়ে ২ হাজার টাকা দাবির অভিযোগ উঠেছে এক সহকারী উপ-পরিদর্শকের (এএসআই) বিরুদ্ধে। পরে দরাদরির পর ৭০০ টাকা দেওয়ার হয়েছে বলে দাবি ভুক্তভোগীর।

এদিকে তাদের কথোপকথনের একটি অডিও সামাজিকযোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা জাজিরা থানার এএসআই নাজিম। তবে টাকা দাবি বা নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তিনি।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বড় গোপালপুর ইউনিয়নের বালিয়াকান্দি এলাকার সেলিম মাদবরের ছেলে। রবিন মাদবর (২৩) পেশায় একজন রাজমিস্ত্রি। সম্প্রতি বিদেশ যাওয়ার প্রয়োজনীয়তায় তিনি অনলাইনে পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের জন্য আবেদন করেন। পরে আবেদনের তদন্তের দায়িত্ব পাওয়া এএসআই নাজিম তাকে ফোন করে থানায় যেতে বলেন। থানায় যাওয়ার পর পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের জন্য তার কাছে ২ হাজার টাকা দাবি করা হয় বলে অভিযোগ তার। এ সময় নিজের আর্থিক অসচ্ছলতার কথা জানিয়ে টাকা কমানোর জন্য অনুরোধ করেন রবিন।

ছড়িয়েপড়া অডিওতে রবিনকে টাকার পরিমাণ কমানোর অনুরোধ করতে শোনা যায়। একপর্যায়ে এএসআই নাজিমকে ১ হাজার টাকা চাওয়ার কথা বলতে শোনা যায়। কথোপকথনের মধ্যে আগে ৫০০ টাকায় পুলিশ ক্লিয়ারেন্স হওয়ার প্রসঙ্গ উঠলে নাজিম উদ্দিন আপত্তি জানান। একপর্যায়ে অশালীন ভাষা ব্যবহার করতে শোনা যায় ওই অডিওতে। পরে কথোপকথনের একপর্যায়ে রবিনকে বলতে শোনা যায়, স্যার, আপনার ফাইলের নিচে টাকা রাখলাম।

রবিন মাদবর বলেন, আমি রাজমিস্ত্রির কাজ করি। পুলিশ ক্লিয়ারেন্স নিতে গিয়ে টাকার জন্য অনেক অনুরোধ করতে হয়েছে। পরে ৭০০ টাকা দিতে হয়েছে আমার।

অভিযোগের বিষয়ে এএসআই নাজিমের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, রবিনের বাবার ভোটার আইডি কার্ড ও বিদ্যুৎ বিলের কাগজ ছিল না। সেগুলো নিয়ে যেতে বলেছিলেন এবং রবিন পরে তা দিয়ে গেছেন। তার কাছে টাকা চাওয়া ও টাকা নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে এএসআই নাজিম বলেন, এমন কিছু হয়নি।

এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (নড়িয়া সার্কেল) মহিউদ্দিন মিরাজ বলেন, বিষয়টি আমার নজরে আসেনি। যদি এমন কিছু হয়ে থাকে, তবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Check Also

শপিং নারীর রাগ-জেদ কমায়, সৃজনশীলতা বাড়ায়

🛍️ শপিং শুধু প্রয়োজনীয় জিনিস কেনার বিষয় নয়, অনেক নারীর কাছে এটি মনকে একটু হালকা …

Premium SEO Backlinks
Premium SEO Backlinks