বাংলাদেশে গ্রাহক পর্যায়ে বেসরকারি খাতের তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম বেড়েই চলেছে। এমনকি অনেক এলাকায় এলপি গ্যাসের সিলিন্ডারই পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।
এমন প্রেক্ষাপটে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ‘কৃত্রিম সংকট ও অতিরিক্ত মূল্য আদায়ের’ বিষয়টি খতিয়ে দেখতে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দিয়েছে জ্বালানি মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয় বলেছে, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করা হলে কিংবা বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দাম নেওয়া হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সোমবারই জ্বালানিমন্ত্রীকে আমদানিকারক ও অপারেটররা জানিয়েছিলেন যে, এলপি গ্যাসের কোনো সংকট নেই। কিন্তু এরপরই ঢাকাসহ সারাদেশে গ্যাসসহ সিলিন্ডার সংকট আরও তীব্র হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিভিন্ন জায়গায় একটি ১২ কেজির সিলিন্ডারের জন্য অতিরিক্ত ৬/৭শ টাকা দিতে হচ্ছে গ্রাহকদের।
আবার বেশি দামে বিক্রি ঠেকাতে কর্তৃপক্ষের চলমান অভিযান এড়াতে কিছু এলাকায় এলপি গ্যাসের সিলিন্ডারের দোকান বন্ধ রেখেই অতিরিক্ত দাম চাওয়া হচ্ছে।
বৈশ্বিক সংকটের কারণে আমদানি আদেশ কম হওয়ায় আগামী মাসে সরকারকে বাধ্য হয়েই দাম বাড়াতে হতে পারে- এমন ধারণা থেকে বাজারে সিলিন্ডার সরবরাহ আরও কমিয়ে দেওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।
যদিও আমদানিকারক ও অপারেটররা বলছেন, খুচরা বাজারে দাম বৃদ্ধি বা অতিরিক্ত দামের দায় আমদানিকারকদের নয়।
চাকরির বাজার Jobs and Career Solution