বিভিন্ন হোটেল-রেস্তোরাঁয় প্রায়ই পানির বোতলের দাম বেশি নেওয়ার অভিযোগ ওঠে। কেউ কেউ এর প্রতিবাদ করেন, আবার কেউ এক ধাপ এগিয়ে আইনের আশ্রয় নেন। এমন একটি ঘটনা ঘটেছে ভারতের উত্তর প্রদেশের হাথরাস শহরে। এক লিটার পানির বোতলের দাম ২ রুপি (বর্তমানে ১ ভারতীয় রুপি সমান বাংলাদেশী টাকায় ১.৩০ টাকা) বেশি নেওয়ায় একটি রেস্তোরাঁকে ১ লাখ রুপি জরিমানা করা হয়েছে।
বিবিসিএন রয়্যাল রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড পার্টি হল নামের ওই রেস্তোরাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ১ লাখ রুপি জরিমানা করেছে আলিগড়ের জেলা ভোক্তা সুরক্ষা কমিশন। এ ছাড়া ভুক্তভোগীকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে ১ হাজার রুপি এবং আইনি খরচের জন্য ৫ হাজার টাকা দিতে রেস্তোরাঁকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ঘটনাটি গত ১১ মার্চের। আলিগড়ের বাসিন্দা অঙ্কুর আগরওয়াল ওই রেস্তোরাঁয় খেতে যান। সেখানে তিনি এক বোতল পানি কেনেন। পানির বোতলে সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ১৮ রুপি লেখা থাকলেও তার কাছ থেকে ২০ রুপি আদায় করে রেস্তোরাঁ কর্তৃপক্ষ।
এর পরিপ্রেক্ষিতে রেস্তোরাঁর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেন অঙ্কুর। তিনি আলিগড় জেলা ভোক্তা সুরক্ষা কমিশনে একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
শুনানির সময় তিনি প্রমাণ হিসেবে রেস্তোরাঁর বিল এবং পানির বোতলের একটি ছবি জমা দেন।
বিলে স্পষ্টভাবে দেখা যায়, রেস্তোরাঁটি পানির বোতলের জন্য ২০ রুপি নিয়েছিল। অথচ সেটির দাম ছিল ১৮ রুপি।
রেস্তোরাঁটিকে তাদের বক্তব্য উপস্থাপনের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু তাদের পক্ষ থেকে কেউ যুক্তি দিতে উপস্থিত হয়নি।
গত ১২ অক্টোবর কমিশন রায় দেয়, মুদ্রিত সর্বোচ্চ খুচরা মূল্যের চেয়ে বেশি দাম নেওয়া একটি ‘অন্যায্য ব্যবসায়িক চর্চা’। তাই রেস্তোরাঁটিকে জরিমানার ১ লাখ রুপি ভোক্তা কল্যাণ তহবিলে জমার নির্দেশ দেওয়া হয়। এ ছাড়া ভুক্তভোগীকে ১ হাজার রুপি ক্ষতিপূরণ এবং আইনি লড়াইয়ের জন্য ৫ হাজার রুপি দেওয়ার নির্দেশ দেয়। জরিমানার অর্থ পরিশোধের জন্য রেস্তোরাঁকে ৪৫ দিন সময় দেওয়া হয়েছে। সময় পেরিয়ে গেলে আরও কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। সূত্র: এনডিটিভি
চাকরির বাজার Jobs and Career Solution