ভোটার তালিকা সংশোধন ইস্যু এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো বিক্ষোভ মিছিলে যোগ দিয়েছিলেন ভারতের বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী ও তার বোন প্রিয়াঙ্কা গান্ধীসহ বিরোধী ইন্ডিয়া জোটের শীর্ষ নেতারা। তবে এ সময় দিল্লি পুলিশ তাদের আটক করেছে বলে জানিয়েছে কংগ্রেস। খবর এনডিটিভির।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত অন্যান্য আন্দোলনকারীদেরও ছেড়ে কথা বলেনি পুলিশ। তাদের টেনেহিঁচড়ে অপেক্ষমাণ পুলিশ বাসে তুলে নিয়ে যেতে দেখা যায়। কংগ্রেসের দাবি, পুলিশি বাধা এড়াতে তাদের কর্মী-সমর্থকরা একটি পুলিশ বাসের চাকা পাংচার করে দেয়।
এর আগে গতকাল মঙ্গলবারও (৬ অক্টোবর) একই ইস্যুতে অবস্থান ধর্মঘটে বসলে গান্ধী ভাই-বোনকে পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়েছিল।
বুধবার (৭ অক্টোবর) যন্তরমন্তরে বিক্ষোভ প্রদর্শনের চেষ্টা করলে আবারও বাধা দেয় পুলিশ। পূর্বানুমতি না নেয়ার অজুহাতে তাদের আটকে দেয়া হয়। দিল্লির একটি রেস্তোরাঁয় কৌশল নির্ধারণী মধ্যাহ্নভোজ শেষ করে সংসদ সদস্যরা যন্তরমন্তরের দিকে রওনা হলে পুলিশ রাস্তা অবরোধ করে।
শুরুতে রাহুল গান্ধীসহ শীর্ষ নেতাদের একটি বাসে এনে বসানো হয়। কিন্তু পুলিশ যখন অন্যান্য বিক্ষোভকারীদের আটক করতে যায়, তখন ইন্ডিয়া জোটের নেতারা বাস থেকে নেমে এসে রাস্তার ওপরই বসে পড়েন। পুলিশ বারবার সরে যাওয়ার অনুরোধ জানালেও রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা রাস্তায় বসে অবস্থান অব্যাহত রাখেন।
একপর্যায়ে প্রিয়াঙ্কা গান্ধী রাস্তায় শুয়ে পড়ে পুলিশকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেন, ‘সংসদ সদস্যদের সঙ্গে কি এভাবে আচরণ করা হয়? এটি নজিরবিহীন। আমরা এখান থেকে এক চুলও সরব না।’
পরবর্তীতে পুলিশ দুই ভাই-বোনকে টেনেহিঁচড়ে জোরপূর্বক বাসে তুলে নিয়ে যায়।
চাকরির বাজার Jobs and Career Solution