বাংলাদেশ ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট তফসিলি ব্যাংকগুলোর সমন্বয়ে এ ব্যবস্থা কার্যকর হবে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ এটি চালু করছে।
গতকাল অর্থবিভাগ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, সরকারের ১১টি জাতীয় সঞ্চয় স্কিমের মধ্যে ৯টির লেনদেন বর্তমানে ন্যাশনাল সেভিংস স্কিম অনলাইন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (এনএসসি সিস্টেম)-এর মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। এতে নিবন্ধিত একক গ্রাহকের সংখ্যা ৩৯ লাখ ৪৬ হাজার ২২৪ জন।
প্রথমে দেখা হবে নম্বরটি সঠিক ও সচল কি না। এরপর হিসাবধারীর তথ্য জাতীয় পরিচয়পত্র বা পাসপোর্ট নম্বরের সঙ্গে মিলিয়ে পরিচয় নিশ্চিত করা হবে। এতে টাকা পাঠানোর আগেই ভুল বা অসামঞ্জস্যপূর্ণ তথ্য শনাক্ত করা সম্ভব হবে। ফলে ইএফটি ফেরত আসার ঝুঁকিও কমবে। শুধু সঞ্চয়পত্র কেনার সময় নয়, পরে ব্যাংক হিসাব পরিবর্তন বা সংশোধন করলেও নতুন নম্বরটি এভিএসের মাধ্যমে পরীক্ষা করা হবে। অর্থাৎ শুরুতে দেওয়া এবং পরবর্তী সময়ে পরিবর্তন করা-দুই ধরনের হিসাবের ক্ষেত্রেই এ ব্যবস্থা প্রযোজ্য হবে।জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের মতে, এভিএস চালু হলে ভুল হিসাব নম্বর এন্ট্রির হার প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে আসবে। কমবে ইএফটি ফেরত আসার ঘটনাও। এতে বিনিয়োগকারীদের ভোগান্তির পাশাপাশি তথ্য সংশোধন ও পুনরায় টাকা পাঠানোর মতো অতিরিক্ত দাপ্তরিক কাজও কমবে। সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, গ্রাহকের মুনাফা ও মূল অর্থ সঠিক ব্যক্তির হিসাবে পাঠানো সহজ হবে। এতে অর্থ পরিশোধের প্রক্রিয়াও আরও নিরাপদ হবে।
অর্থ বিভাগের মতে, এভিএস জাতীয় সঞ্চয় স্কিমের ডিজিটাল সেবা আধুনিকায়নের গুরুত্বপূর্ণ একটি পদক্ষেপ। বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে সমন্বিত এ প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থা সঞ্চয়পত্রের লেনদেনকে আরো নিরাপদ, স্বচ্ছ ও নির্ভরযোগ্য করবে। প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক লেনদেন হওয়ায় সামান্য ভুলও অনেক গ্রাহকের সমস্যার কারণ হতে পারে। নতুন ব্যবস্থায় অর্থ পাঠানোর আগেই তথ্য যাচাই করা সম্ভব হবে। এতে বিনিয়োগকারীদের প্রাপ্য অর্থ দ্রুত ও নিরাপদে নির্ধারিত হিসাবে পৌঁছানোর প্রক্রিয়া আরো সহজ হবে বলে আশা করছে অর্থ বিভাগ।