Breaking News
Home / Study Care / কোটি শিশুর পড়াশোনা শিকেয় উঠেছে

কোটি শিশুর পড়াশোনা শিকেয় উঠেছে

পোশাকশ্রমিক মায়ের কারখানায় কাজ শুরু হয়েছে। ধীরে ধীরে বাবার রিকশা সচল হচ্ছে। শুধু ছোট্ট মোহনা আক্তার পড়ালেখা ভুলতে বসেছে।

এক ঘরে গাদাগাদির বাসায় টিভির ক্লাসে মন বসানো কঠিন। ইদানীং স্কুলের শিক্ষক মুঠোফোনে খোঁজখবর নিচ্ছেন। মা-ও কষ্টেসৃষ্টে বেতন দিয়ে পাড়ার এক খালার কাছে পড়তে পাঠাচ্ছেন। কিন্তু করোনার চার মাসে হাজারীবাগ বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আঙিনায় যেমন শেওলা জমেছে, মোহনার পড়ার অভ্যাসেও তেমনি ছাতা পড়েছে। মা তানিয়া বেগম মুঠোফোনে বললেন, ‘বাচ্চা মানুষ তো, স্কুল বন্ধ থাকলে পড়তে চায় না।’

সরকার টিভিতে প্রাথমিকের ক্লাস দেখাচ্ছে ৭ এপ্রিল থেকে। তবে খাগড়াছড়ি সদরের দক্ষিণ খবংপুড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যে ছেলেমেয়েরা পড়ে, তাদের অনেকের বাসায় টিভি নেই। কিছু বাড়িতে বিদ্যুৎ নেই।

প্রধান শিক্ষক বিজয়া খীসা বললেন, এমন অভিভাবকও আছেন, যাঁরা দিন এনে দিন খান। কারও বা মুঠোফোন নেই। তিনি নিজে অনেক ছেলেমেয়েকে খাতা-কলম আর সাবান কিনে দিয়েছেন।

বগুড়ার সাজাপুর ফুলতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পড়ালেখায় দুর্বল এবং দরিদ্র পরিবারের ছেলেমেয়েরা একেবারেই বসে পড়েছে। ঢাকার রায়েরবাজারে রাজমুশুরী সরকারি প্রাথমিক স্কুলের একজন শিক্ষকের ক্লাসের এক-তৃতীয়াংশ শিক্ষার্থী গ্রামে চলে গেছে। ফিরবে, এমন আশা নেই।

এ কথা কে না জানে, দুর্যোগে সব রকম সুযোগ সবচেয়ে বেশি খোয়ায় দুর্বলজনেরা। করোনাকালে সরকারি প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার হাল জানতে গিয়ে কথাটির অর্থ পরিষ্কার হলো।

স্কুলগুলোতে তালা। বাড়িতে পড়ানোর মতো কেউ নেই। অনলাইন নাগালের বাইরে। ছেলেমেয়েদের বড় অংশই গরিব পরিবারের। করোনাকালে অভাব বেড়েছে, ঠাঁই নড়েছে। গত মে মাসে ব্র্যাকের একটি জরিপ দেখেছে, ১৬ শতাংশ শিশু আতঙ্কে ভুগছে।

এভাবে সরকারি প্রাথমিক স্কুলে পড়ুয়া প্রায় সোয়া কোটি শিশুর অনেকে লেখাপড়ার বাইরে চলে যাচ্ছে। গত দুই দশকের শিক্ষার অর্জন গোল্লায় যেতে বসেছে।

গত ১৭ মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে করোনার ছুটি চলছে। আগামী ৬ আগস্ট পর্যন্ত ছুটির ঘোষণা আছে। তবে শিক্ষা প্রশাসনের কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা আভাস দিলেন, গোটা মাসটাই বন্ধ থাকবে। তারপর করোনার অবস্থা বুঝে সিদ্ধান্ত হবে।

স্কুল খুলবে সবার শেষে। সেগুলোর ছুটি সেপ্টেম্বর-অক্টোবর পর্যন্ত গড়াতে পারে। সরকারি প্রাথমিক স্কুলে পড়ুয়াদের পড়াশোনা মুখ থুবড়ে পড়ার ঝুঁকিটা আরও বড় হচ্ছে। অথচ সেটা ঠেকানোর ‍কার্যকর উদ্যোগ নেই।

তিন মাস পর্যন্ত সরকারি প্রাথমিক স্কুলগুলো শুধু সংসদ টিভি চ্যানেলে প্রচারিত ক্লাসের ভরসায় থেকেছে। গত ২৮ জুন সরকার জেলায় জেলায় শিক্ষকদের বলেছে মুঠোফোনে ছাত্রছাত্রীদের পড়ালেখার তদারকি করতে।

বাসায় টিভি যদিবা থাকে, সম্প্রচারিত রেকর্ড করা ক্লাসগুলো গৎবাঁধা। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাকের মে মাসের জরিপটি দেশের ৮ বিভাগের ১৬ জেলায় করা। সেটা বলছে, ৫৬ শতাংশ ছেলেমেয়ে টিভির ক্লাসে আগ্রহ পায় না।

দু-একটি জেলার শিক্ষা প্রশাসন ইউটিউব আর ফেসবুকে রেকর্ড করা ক্লাস তুলে দিচ্ছে। দেশজুড়ে অনেক শিক্ষক নিজেরাও তা করছেন। সরকারি কিছু বড় স্কুল অনলাইনে ক্লাস নিচ্ছে। তবে অনলাইনে দেখার সুযোগ-সামর্থ্য সবার নেই।

এখন বাংলাদেশ বেতার ও কমিউনিটি রেডিওতে ক্লাস প্রচারের তোড়জোড় চলছে। এ ছাড়া ‘এডুকেশন হেল্পলাইন’ খোলার জন্য শিক্ষকদের ডেটাবেইস তৈরি হচ্ছে। হেল্পলাইনে ফোন করে শিক্ষার্থী বিনা খরচে তার পছন্দের শিক্ষকের সঙ্গে পাঁচ মিনিট কথা বলতে পারবে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. ফসিউল্লাহ প্রথম আলোকে বললেন, প্রাথমিকের ছেলেমেয়েরা ক্লাসের বাইরে পড়তে অভ্যস্ত নয়। তারপরও এসব করার উদ্দেশ্য, পড়ালেখার চর্চাটা যেন টিকে থাকে।

মুঠোফোনে তদারকির কর্মসূচিতে শিক্ষকেরা অভিভাবকের ফোনে কল দিয়ে সপ্তাহে একবার শিক্ষার্থীর পড়ার খোঁজ নেন, পড়া দেন আর টিভির ক্লাস দেখতে বলেন। তবে শিক্ষকেরা বলছেন, অনেক সময় ফোন বন্ধ থাকে। এমনিতেও সপ্তাহে এক দিনে কতটুকুই-বা হয়!

নোয়াখালী সদর উপজেলা কৃপালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মোহাম্মদ সামসুদ্দিন মুঠোফোনে বললেন, তাঁদের ২০১ জন ছাত্রছাত্রীর অনেকে দরিদ্র। সবার সঙ্গে যোগাযোগ করা যায় না। তারা টিভির ক্লাসও খুব একটা দেখে না।

গত ১৭ মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে করোনার ছুটি চলছে। ছবি: প্রথম আলো
গত ১৭ মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে করোনার ছুটি চলছে। ছবি: প্রথম আলো
শিক্ষকেরা ফোনে আলাপের সাপ্তাহিক বিবরণ প্রধান শিক্ষকের কাছে জমা দেন। তিনি স্কুলের প্রতিবেদন পাঠান স্থানীয় শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে। তিনি আবার তা জেলায় পাঠান। নজরদারি হচ্ছে, তবে পর্যালোচনা হচ্ছে কই?

টিভির ক্লাসগুলোর কার্যকারিতা খতিয়ে দেখা হয়নি। স্বেচ্ছাসেবী আর এনজিও পরিচালিত যেসব স্কুল অনলাইনে পড়াচ্ছে, তাদের পদ্ধতিগুলো পর্যালোচনা করে পথ খোঁজারও কোনো চেষ্টা নেই।

অথচ প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের ৭০ শতাংশই পড়ে সরকারি স্কুলে। বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর (ব্যানবেস) হিসাবে তাদের সংখ্যা ১ কোটি ১৫ লাখের মতো। স্কুলের সংখ্যা ৬৬ হাজারের কাছাকাছি।

সবখানে একই গল্প

১৩ জুলাই দুপুর। পুরোনো ট্যানারি এলাকার কাছে হাজারীবাগ বালিকা সরকারি বিদ্যালয়ের ফটকে তালা ঝুলছে। আশপাশের দোকানিরা বললেন, মাঝেমধ্যে দু-একজন শিক্ষক আসেন। তখন তালা খোলে।

উল্টো দিকে পটুয়াখালীর বাউফলের ছেলে তুহিনের মুঠোফোনের দোকান। তাঁর এখানে ১৭ বছরের ব্যবসা। বললেন, স্কুলের শিক্ষার্থীরা বেশির ভাগই শ্রমজীবী পরিবারের। তাঁর ভাইয়ের মেয়ে ইসরাত জাহান এখানে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ে। ভাই কাজ করেন ট্যানারিতে।

ভাতিজি বাসায় একা একা যতটুকু পারে পড়ে। পড়া বিশেষ হয় না। তুহিন বলেন, কী আর করা! এদিকে প্রধান শিক্ষক এস এম ছায়িদ উল্লা একজন কর্মচারীর হাতে স্কুলের চাবি দিয়ে পাঠালেন। একই উঠান লাগোয়া ভবনে ছেলেদের প্রাথমিক স্কুল। ভবনের কলাপসিবল গেটেও তালা ঝুলছে।

মাঠ নেই। একটুকরা আঙিনায় শেওলা পড়েছে। এক পাশে আগাছা গজিয়েছে। প্রধান শিক্ষক মুঠোফোনে বললেন, উপবৃত্তি বিতরণ বা অন্য কোনো কাজ থাকলে স্কুলে যান। নয়তো নয়।

মোহনা এই স্কুলেরই প্রথম শ্রেণিতে পড়ে। কাছেই কালুনগরে তাদের এক ঘরের ভাড়া বাসা। পোশাকশ্রমিক মা আর রিকশাচালক বাবা দুজনই সারা দিন বাইরে থাকেন। মায়ের মুঠোফোনে সে বলল, অল্প দিন হলো বিকেলে প্রাইভেট পড়তে যাচ্ছে।

স্কুলের প্রধান শিক্ষক বলছেন, শিক্ষকেরা ক্লাস রেকর্ড করে স্কুলের নামে খোলা ফেসবুক পাতাতেও দিচ্ছেন। সব শিক্ষার্থী অবশ্য সেগুলো দেখতে পারে না। এখন উপবৃত্তির টাকা মোবাইল ব্যাংকিংয়ে দেওয়া হয়। প্রায় সব অভিভাবকের এখন মুঠোফোন আছে। তবে ক্লাস দেখতে চাই স্মার্টফোন।

প্রধান শিক্ষক ছায়িদ উল্লার মতে, সরকার ইন্টারনেট ডেটা জোগালে অনলাইনে ক্লাস নেওয়া সম্ভব। তবে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের কারও ল্যাপটপ বা স্মার্টফোন না থাকলে বিনা মূল্যে দিতে হবে। ছাত্রীদের জন্য এক হাজার টাকা করে মাসিক বৃত্তিও দরকার।

ঈশ্বরগঞ্জের হারুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২০৩ জন ছেলেমেয়ে পড়ে, শিক্ষক আছেন ছয়জন। সহকারী শিক্ষক মো. আমিনুল হক বললেন, টিভির ক্লাস বাচ্চারা দেখতে চায় না। উপজেলায় অনেক শিক্ষক ফেসবুকের পাতায় ক্লাস তুলে দেন। কিন্তু অনেকেরই নাগালে স্মার্টফোন নেই।

খাগড়াছড়ি সদরে পাহাড়ের কোলে দক্ষিণ খবংপুড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। শিক্ষার্থী আছে ৬০ জন। প্রধান শিক্ষক বিজয়া খীসা বললেন, টিভি আছে হয়তো ৬০ ভাগের বাসায়। প্রথম দিকে বাচ্চাদের আগ্রহ ছিল। এখন আর নেই।

গ্রামটিতে দরিদ্র মানুষই বেশি। প্রধান শিক্ষক বললেন, ছেলেমেয়েরা কাছাকাছি থাকে। তিনি নিজেই খোঁজখবর রাখছেন। তবে পড়াশোনার সমস্যা তো হচ্ছেই।করোনার কারণে স্কুলগুলোতে তালা। ছবি: প্রথম আলো
করোনার কারণে স্কুলগুলোতে তালা। ছবি: প্রথম আলো

ঝরে পড়ার অশনিসংকেত

ঢাকার রায়েরবাজারে রাজমুশুরী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বয়স ১৫০ বছর। ১৩ জুলাই স্কুলটিতে গিয়ে দেখা গেল বন্ধ। একটি বেসরকারি সংস্থার ফেলোশিপের অংশ হিসেবে দুই বছরের জন্য এই স্কুলে পড়াচ্ছেন সেঁজুতি শোণিমা।

মুঠোফোনে সেঁজুতি জানালেন, স্কুলটিতে মোট শিক্ষার্থী ৫৭০ জন। শিক্ষক আছেন ১৪ জন। তিনি তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ান। ক্লাসের ৬১ জন শিক্ষার্থীর সঙ্গেই যোগাযোগ রাখছেন।

১৪ জুলাই সেঁজুতি বললেন, এ মুহূর্তে তাঁর ৪১ জন ছাত্রছাত্রী ঢাকায় আছে। বাকিরা পরিবারের সঙ্গে গ্রামের বাড়িতে চলে গেছে। ফোনে কথা বলে জেনেছেন, দু-একজন বাদে বাকিদের ঢাকায় ফেরার সম্ভাবনা নেই।

সেঁজুতির ভয়, এই বাচ্চারা ঝরে পড়বে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য বলছে, ২০০৫ সালে প্রাথমিকে পড়ুয়াদের ৪৭ শতাংশ পঞ্চম শ্রেণি শেষ করার আগেই ঝরে পড়ত। সরকারি-বেসরকারি চেষ্টায় এই হার ১৮ শতাংশে নেমেছে। কিন্তু এখন আবার তা বাড়তে পারে।

বিশ্বজুড়েই স্কুল থেকে বাচ্চাদের ঝরে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক সংস্থা সেভ দ্য চিলড্রেনের এক গবেষণা বলছে, করোনার পর বিশ্বের প্রায় এক কোটি শিশু স্কুলে ফিরবে না। শিক্ষা তহবিল কাটছাঁট হওয়া এবং দারিদ্র্য বেড়ে যাওয়ার কারণে তারা ঝরে পড়বে।

বগুড়ার সাজাপুর ফুলতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জুলফিকার আলী প্রামাণিকের ভয়, তাঁর ১৪২ জন ছাত্রছাত্রীর অনেকে ঝরে পড়বে। সমস্যা বেশি হবে দরিদ্র পরিবারের বাচ্চাদের।

বেসরকারি সংস্থা গণসাক্ষরতা অভিযান গত এপ্রিল-মে মাসে শিক্ষাসংকটের ওপর একটি জরিপ করেছে। শিক্ষা নিয়ে কাজ করা ১১৫টি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং ১১টি শিক্ষক সংগঠন এতে অংশ নেয়। জরিপটি বলছে, ঝরে পড়া বাড়তে পারে। বাড়তে পারে অনিয়মিত উপস্থিতি, শিশুশ্রম আর বাল্যবিবাহও।আগামী ৬ আগস্ট পর্যন্ত স্কুল ছুটির ঘোষণা আছে। ছবি: প্রথম আলো
আগামী ৬ আগস্ট পর্যন্ত স্কুল ছুটির ঘোষণা আছে। ছবি: প্রথম আলো

পড়ালেখায় ধরে রাখা

সংসদ টিভিতে সিলেবাস ধরে ক্লাস প্রচারিত হচ্ছে। সব কটি বিকল্প উদ্যোগই মূলত ক্লাসকেন্দ্রিক। কিন্তু এ বছর এখন পর্যন্ত কোনো পরীক্ষা হয়নি। প্রথম সাময়িকী পরীক্ষা হয়নি। আগস্টে দ্বিতীয় সাময়িকী পরীক্ষাও হওয়ার আশা কম।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ফসিউল্লাহ প্রথম আলোকে বললেন, ‘আগে পড়াটা শেষ হোক না! পরীক্ষার কথা পরে দেখা যাবে।’

আগামী নভেম্বরে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা এবং এরপর বার্ষিক পরীক্ষা হওয়ার কথা। অধিদপ্তরের কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা বলেছেন, প্রথমটি পাবলিক পরীক্ষা। সিদ্ধান্ত নেবে সরকারের উচ্চপর্যায়। তবে এ বছর বার্ষিক পরীক্ষা হওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ।

ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক মনজুর আহমদের মতে, এ সময় মাধ্যমিকের আগের দুটি পাবলিক পরীক্ষাই স্থগিত রাখলে বিরাট কোনো ক্ষতি হবে না। বরং আগামী দুই থেকে তিন বছরের প্রধান কাজ হবে, সব শিক্ষার্থীকে স্কুলে ফিরিয়ে এনে নিয়মিত ক্লাসে ধরে রাখা।

অধ্যাপক মনজুর বলেছেন, শিক্ষার্থীদের পড়ার ক্ষতি পুষিয়ে দিতে হবে। বেশি পিছিয়ে পড়া ছেলেমেয়েদের বাড়তি সহায়তা লাগবে। শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষকদের আস্থা ধরে রাখতে হবে। পরিকল্পনা পোক্ত না হলে সবই ভেস্তে যাবে।

About pressroom

Check Also

৪১ তম বিসিএস প্রস্তুতি কৌশল: বাংলা

বিসিএস পরীক্ষার প্রিলিমারির সিলেবাস অনুযায়ী কারো পক্ষেই শতভাগ প্রস্তুতি নেওয়া সম্ভব নয়। বিসিএস প্রিলিমারি পরীক্ষায় …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Powered by keepvid themefull earn money