Breaking News
Home / Onno Rokom / প্রতি ১ঘন্টা দৈ”হি’ক সময়ের জন্যে ১০ হাজার করে দেয় সৌদি পুরুষেরা…(ভিডিও)

প্রতি ১ঘন্টা দৈ”হি’ক সময়ের জন্যে ১০ হাজার করে দেয় সৌদি পুরুষেরা…(ভিডিও)

নারী গৃহকর্মী পাঠাতে ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে চুক্তি সই হয়। এরপর থেকে চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ২ লাখ ৯৩ হাজার ৫৮৮ নারী সৌদি আরবে গেছেন। নারী কর্মী পাঠানোর পর থেকেই নির্যাতনের নানা অভিযোগ উঠেছে। নির্যাতনসহ নানা কারণে গত তিন বছরে সাড়ে আট হাজার নারী কর্মী চুক্তি শেষ হওয়ার আগেই ফিরে এসেছে। ফিরে আসা নারীদের অনেকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের ভয়াবহ বিবরণ দেন। এসব প্রকাশ হলে জাতীয় সংসদেও নারী কর্মী পাঠানো বন্ধে দাবি ওঠে।

ধর্মীয় পরিচয় গোপন করে লালমনিরহাটের আরতি রানীকে কয়েক মাস আগে সৌদি আরবে পাঠায় একটি এজেন্সি। যে বাসায় নারী গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করছিলেন তিনি, সেখানে তাঁর ধর্মীয় পরিচয় গোপন করার বিষয়টি ধরা পড়ে। এরপর তাঁকে বাসা থেকে বের করে দেন সৌদি গৃহকর্তা। গত ২৬ নভেম্বর আরতি আশ্রয় নেন রিয়াদে বাংলাদেশ দূতাবাসের নিরাপদ আশ্রয় কেন্দ্রে (সেফ হোম)।

আরতিকে দেশে ফেরত আনার উদ্যোগ নেওয়ার পাশাপাশি ঘটনাটির তদন্ত শুরু করেছে সরকার। তবে কোন এজেন্সি আরতিকে সৌদি আরবে পাঠিয়েছে, তা এখন পর্যন্ত বের করতে পারেনি দূতাবাস। তাঁর সঙ্গে পাসপোর্ট না থাকায় বিস্তারিত তথ্য জানতে পারছে না প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ও।

মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, ধর্মীয় পরিচয় লুকানোর ঘটনা এটিই হয়তো প্রথম নয়। কম বয়সী মেয়েদের বয়স বাড়িয়ে এবং বেশি বয়সী নারীদের বয়স কমিয়ে পাঠানো হচ্ছে সৌদিতে। বয়স লুকানো, যথাযথ প্রশিক্ষণ না দেওয়া, স্বাস্থ্য পরীক্ষা না করে সৌদি আরবে পাঠানোর ক্ষেত্রে বেশ কিছু এজেন্সির অনিয়ম খুঁজে পেয়েছেন তাঁরা।

এসব অনিয়মের জন্য রিক্রুটিং এজেন্সিকে দায়ী করছে মন্ত্রণালয়। আর এজেন্সি বলছে, বয়স, পরিচয় লুকিয়ে কেউ সৌদি আরবে গেলে তার দায় সরকারের। এর কারণ পাসপোর্ট, জাতীয় পরি
চয়পত্র যাচাইয়ের কাজটি এজেন্সি নয়, করে সরকার।

দালালের হাতেই সব কাজ

সৌদি আরবে নারী কর্মী পাঠানোর অনুমোদন রয়েছে প্রায় ৬৫০টি এজেন্সির। এদের প্রায় সবাই দালালের মাধ্যমে মাঠপর্যায় থেকে নারী কর্মী সংগ্রহ করে। পাসপোর্ট, পুলিশের ছাড়পত্র, স্বাস্থ্য পরীক্ষা, প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ভর্তি—সবই করে দালাল। এর ফলে নারী কর্মীরা অনেক সময় এজেন্সির নামও পর্যন্ত জানেন না এবং দালালের বাইরে কাউকে চেনেন না। পদে পদে ঘুষ দিয়ে নানা অনিয়ম করে নারী কর্মীদের পার করে দিচ্ছেন দালালেরা।

সাতটি রিক্রুটিং এজেন্সির মালিকদের সঙ্গে কথা বলে নারী কর্মী পাঠানো নিয়ে আয়-ব্যয়ের একটি চিত্র পাওয়া গেছে। তাঁরা জানান, নারী কর্মীপ্রতি ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকায় দালালের সঙ্গে চুক্তি করে এজেন্সি। দালালকে দেওয়া খরচের বাইরে বিদেশে যাওয়ার আগে বিএমইটি থেকে ছাড়পত্র নেওয়ার সময় প্রতি কর্মীর জন্য সাড়ে ৩ হাজার টাকা ‘কল্যাণ ফি’ জমা দেয় এজেন্সি। আর ঢাকা থেকে সৌদি আরবের একমুখী টিকিটে এজেন্সির ব্যয় হয় ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা। সব মিলে একজন নারী কর্মী পাঠাতে এজেন্সি ব্যয় করে ৮০ থেকে ৮৫ হাজার টাকা।

১ হাজার ২০০ কোটি টাকার বাণিজ্য

About pressroom

Check Also

১৩ বছর বয়সেই গ’র্ভবতী! সন্তানের জ’ন্ম দিয়ে মায়ের দাবি, শিশুর বাবার বয়স ১০

১৬ অগাস্ট একটি ফুটফুটে কন্যা সন্তানের জ’ন্ম দিয়েছে রাশিয়ার মেয়ে দারিয়া দু’সনিশিনিকোভা। তাঁর বয়স শুনলে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Powered by keepvid themefull earn money