Breaking News
Home / Onno Rokom / মেয়েরা কখন মি’লনের জন্য পাগল হয়ে ওঠে!

মেয়েরা কখন মি’লনের জন্য পাগল হয়ে ওঠে!

মে’য়েরা তাদের জীবন স’ঙ্গীর স’ঙ্গে যৌ’ন মি’লন করতে চায়। কিন্তু বুক ফাটলেও মুখ ফুটে বলতে লজ্জা পায়। তাই জেনে নিন মে’য়েরা কখন যৌ’ন মি’লনের জন্য পা’গল হয়ে ওঠে।

১. মেয়েদের যৌ’ন চা’হিদা ছেলেদের ৮ ভাগের এক ভাগ। কি’শোরী এবং টিনএজার মেয়েদের যৌ’ন ই’চ্ছা সবচেয়ে বেশী। ১৮ বছরের পর থেকে মেয়েদের যৌ’ন চা’হিদা কমতে থাকে, ৩০ এর পরে ভালই কমে যায়।ছেলেদের দেখলে মে’য়েরা বার বার ওড়না ঠিক করে কেন?

২. ২৫ এর উর্দ্ধ মেয়েরা স্বা’মীর প্রয়োজনে যৌ’নকর্ম করে ঠিকই কিন্তু একজন মেয়ে মাসের পর মাস যৌ’নকর্ম না করে থাকতে পারে কোন সমস্যা ছাড়া।
৩. মেয়েরা রোমান্টিক কাজকর্ম যৌ’নকর্ম চেয়ে অনেক বেশী পছন্দ করে। বেশীর ভাগ মেয়ে গল্পগুজব হৈ হুল্লোর করে যৌ’নকর্মর চেয়ে বেশী মজা পায়।

৪. মেয়েরা অর্গ্যা’জম করে ভগাংকুরের মাধ্যমে, মেয়েদের অর্গ্যা’জমে কোন বী’র্য বের হয় না। তবে পেটে প্র’স্রাব থাকলে উ’ত্তেজনায় বের হয়ে যেতে পারে মেয়েদের বী’র্যপাত বলে কিছু নেই। কেউ যদি দাবী করে তাহলে সে মিথ্যা বলছে।৫. ভগাংকুরের মাধ্যমে অর্গ্যা’জমের জন্য সে’ক্সের কোন দরকার নেই।

৬. লম্বা পে’নিসের চেয়ে মো’টা পে’নিসে মজাবেশী। লম্বা পে’নিসে বেশীরভাগ মেয়ে ব্যাথা পায়।৭. মেয়েদের যো’নির সামান্য ভে’তরেই খাজ কা’টা

গ্রুভ থাকে, পে’নিসের নাড়াচাড়ায় ঐসব খাজ থেকে মজা তৈরী হয়। এজন্য বড় পে’নিসের দরকার হয় না।বাচ্চা ছেলের পে’নিসও এই মজা দিতে পারে।অনেক ছেলে কিংবা মে’য়েরা চায় বিপরীত লিংঙ্গের মানুষটি তার স’ঙ্গে মি’লিত হোক।

বি’চ্ছেদ ঠেকানোর দুর্দান্ত উপায় জানালেন গবেষকরা
বর্তমানে বিবাহবিচ্ছেদের হার যথেষ্ট বেড়েছে। বিচ্ছেদের অনেক কারণ হয়ে থাকে। আর এ বিচ্ছেদ ঠে’কাতে অনেকে তৎপর। তাদের জন্য সু’খবর দিল একদল গবেষক। গবে’ষণা বলছে, একস’ঙ্গে রোমান্টিক সিনেমা দেখা কমাতে পারে বিয়ে বিচ্ছেদ।

একদল গবেষক দম্পতিদের একত্রে রাখার একটি অভিনব উপায় খুঁজে পেয়েছেন। আমেরিকার রচেস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিচালিত একটি নতুন সমীক্ষা অনুসারে, এক মাসে পাঁচ’টি সম্প’র্ক-ভিত্তিক সিনেমা দেখা বিবাহ-পরবর্তী সমস্যার ক্ষেত্রে বিবাহ-সংক্রান্ত বি’ষয়ে আলোচনা করার সহজ অনুশীলন পরামর্শের মতো কার্যকর হতে পারে।

রচেস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞানের সহযোগী অধ্যাপক ড. রোনাল্ড রো’গের নেতৃত্বে সমীক্ষাটির অনুসন্ধানে দেখা গেছে, সিনেমা দেখার ফলে বিবাহ বিচ্ছেদের হার অর্ধেক কমে যেতে পারে এবং তিন বছরের পরে বিচ্ছেদের হার ২৪% থেকে ১১% হ্রাস করতে পারে।

স্বা’মী-স্ত্রীদের সম্প’র্কের ক্ষেত্রে ধার্মিকতার জন্য বেশ ভালো ধারণা রয়েছে। তাদের নতুন দক্ষ’তা শেখানোর দরকার নেই, অন স্ক্রিন দম্পতিদের লড়াইয়ের দিকে তাকানো তাদের বি’ষাক্ত আচরণগুলো লক্ষ্য করতে তাদের সহায়তা করতে পারে। থেরাপিস্ট-নেতৃত্বাধীন পদ্ধতির মতো সিনেমার পদ্ধতিটি কী কার্যকর করে তোলে তা হলো এটি দম্পতিদের আচরণের ও’পর ক’ঠোর নজর দিতে সহায়তা করে।

অনস্ক্রিন দম্পতিরা কীভাবে যুক্তিগুলো পরিচালনা করে তা দেখে, বাস্তব জীবনে দম্পতিরা তাদের বিবাহের স’ঙ্গে সম্প’র্কিত হতে পারে।স’ঙ্গীর সাথে সম্প’র্কের দিকে বসতে এবং একটি উদ্দেশ্যমূ’লক দৃষ্টিভ’ঙ্গি করতে সময় লাগানো যে কোনো দম্পতির পক্ষে সহায়ক হতে পারে একস’ঙ্গে সিনেমা দেখা।

যুগল থেরাপি এবং বৈবাহিক পরামর্শের বিপরীতে লিড লেখক রোনাল্ড রো’গ বলেছেন, চলচ্চিত্র-আলোচনার পদ্ধতিটি সস্তা, মজাদার এবং সহজ। সিনেমাতে দেখায় একে অপরের হাত ধরে রাখা এবং বাস্তব জীবনে রোমান্টিক দৃশ্যের আয়না। এটি সম্প’র্ক ভালো রাখার দুর্দান্ত উপায় হতে পারে।

সমীক্ষা অনুসারে, যে দম্পতিরা এক স’ঙ্গে লাভে-ডোভির সিনেমা দেখেন এবং তারপরে তাদের সম্প’র্কে কথা বলেন তাদের মধ্যে যারা স্থির করেন না তাদের চেয়ে আরও স্থিতিশীল সম্প’র্ক থাকতে পারে।
সূত্র: ই টাইমস

About pressroom

Check Also

ম’য়’মন’সিং’হে ৩ হি’ন্দু যু’বকের ই’সলাম গ্রহন

ইসলাম শিক্ষা দেয় যে আল্লাহ দয়ালু, করুনাময়, এক ও অদ্বিতীয়। ইসলাম মানব জাতিকে সঠিক পথ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Powered by keepvid themefull earn money