সকালে উঠেই দুটি ডিম লাগে মধুমিতার!

কথায় আছে, যে রাঁধে, সে চুলও বাঁধে!
বেশির ভাগ সময় কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকেন ওপার বাংলার লাবণ্যময়ী অভিনেত্রী মধুমিতা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও যথেষ্ট সক্রিয়। কিন্তু অভিনয়, ছবির প্রচার, ইনস্টাগ্রাম, টুইটারের বাইরে বাড়ির রান্নাঘরটা ভীষণ প্রিয় অভিনেত্রীর। ফাঁক পেলেই তাই টুক করে বানিয়ে ফেলেন মনের মতো কোনো পদ।

অথবা কখনো কখনো কাজরে বাইরে পা ফেলেন পাহাড়-সমুদ্রে। অরণ্য তাকে বেশ টানে। কিছুদিন আগেই তো হাতে লাঠি নিয়ে জঙ্গল, পাহাড় পেরিয়ে গট গট করে ঘুরে এলেন অভিনেত্রী। রোমাঞ্চকর ভ্রমণের প্রতি যে এই টলি নায়িকার বেশ টান রয়েছে, তা তার সোশ্যাল মিডিয়ার প্রোফাইল ঘুরে এলে অনেকটাই স্পষ্ট হয়ে যাবে।

তবে সব ছাপিয়ে বার বার আলোচনায়, মধুমিতা সরকারের ফিগার! প্রশংসা যত করা হয় ততই কম। শরীরে এক ফোটাও অতিরিক্ত মেদ কীকরে নেই তার। কীভাবে এমন স্লিম ট্রিম করে ধরে রেখেছেন তিনি; প্রশ্ন সকল ভক্তদের। এখানে উত্তর একটাই- শরীরচর্চা এবং সঠিক খাবার।

কী খেয়ে সারাক্ষণ এত প্রাণবন্ত থাকেন প্রিয়মনা, তা নিয়েও কৌতূহলের শেষ নেই মধুমিতার ভক্তদের মধ্যে। তবে এটুকুই বলতে পারি- তিনি যা খান; তা সাধারণদের নিয়ম মেনে খাওয়াটা একটু কষ্টকর হতে পারে!

সকাল

শুটিং না থাকলে মধুমিতা খানিকটা দেরিতে উঠতেই পছন্দ করেন। ঘুম থেকে ওঠার পর গ্রিন টি-র কাপে চুমুক দেন। সঙ্গে থাকে তার পছন্দের বিস্কুট। বিশেষ ভারী কোনো খাবার মধুমিতার সকালের জলখাবারে থাকে না। দু’টি ডিম সেদ্ধ এবং দু-একটি ফলই তার প্রাতরাশে বরাদ্দ।

দুপুরের খাবার

বাড়িতে থাকলে মধুমিতার দুপুরের খাবারে থাকে অল্প পরিমাণ ভাত, বেশ খানিকটা সবজি আর মাছ। শুটিংয়ে থাকলে মধুমিতা দুপুরে খান বেকড চিকেন, কখনও বা বেকড ফিশ। মাঝে মাঝে ছাতুর শরবতও খেয়ে থাকেন তিনি।

সন্ধ্যার নাশতা
ফুচকা খেতে ভীষণ ভালবাসেন মধুমিতা। সময় পেলেই বেরিয়ে পড়েন ফুচকা খেতে। ফুচকা ছাড়াও আরও একটি খাবার মধুমিতার পছন্দের তালিকায় রয়েছে। তা হল ‘ডায়নামাইট চিকেন’। মধুমিতার কাছে আসলে ওটা ‘চিলি চিকেন’। কারণ ওটাতে চিকেন আর মরিচ ছাড়া আর কিছুই থাকে না।

নৈশভোজ

ঘড়ির কাঁটা ৮টায় পৌঁছনোর আগেই মধুমিতা তার রাতের খাওয়া সেরে নেন। নৈশভোজে বিশেষ কোনো বিধিনিষেধ তার নেই। ভাত, রুটি হোক বা বাড়িতে তৈরি বিরিয়ানি, রাত ৮টার আগে কিছু একটা খেয়ে নেন তিনি।

Leave a Comment