Breaking News
Home / Health News / এনার্জি ড্রিংক খাবেন না যে ৫ কারণে

এনার্জি ড্রিংক খাবেন না যে ৫ কারণে

সফট ড্রিংক’র পাশাপাশি ইদানীং জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এনার্জি ড্রিংক। আমাদের দেশে যুবক যুবতীদের মাঝে এনার্জি ড্রিংকস্ বা শক্তি বর্ধক পানীয় বেশ জনপ্রিয়। অনেকে না বুঝে প্রায় নিয়মিত পানীয় হিসেবে পান করে চলেছে এই ড্রিংক। তরুণদের কাছে এটি পান করা অনেকটা ফ্যাশনে দাঁড়িয়ে গেছে। এনার্জি ড্রিংকের বেশ কিছু ক্ষতিকর দিকের ভেতর উল্লেখযোগ্য ৫ ক্ষতিকর দিক হল:
ক. রক্তচাপ বেড়ে যায়
খ. মুটিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে
গ. ডায়াবেটিস রোগের কারণ হয়ে দাঁড়ায় এনার্জি ড্রিংক
ঘ. এনার্জি ড্রিংকের ক্যাফেইন ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়
ঙ. কিডনির সমস্যায় পড়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়

জনপ্রিয় ক্যাফেইন সমৃদ্ধ এনার্জি ড্রিংকস্ বা শক্তিবর্ধক পানীয় এর সাথে হৃৎপিন্ড, স্নায়ু এবং পাকস্থলীর সমস্যার যোগসূত্র রয়েছে। ক্যাফেইন সমৃদ্ধ এনার্জি ড্রিংকস্গুলো জনপ্রিয় ঠিকই কিন্তু এক গবেষণায় দেখা গেছে পানীয়গুলো আপনার রক্তনালীকে ধীরে ধীরে অকার্যকর করে দেয়। যুবক যুবতীরা যখন ব্যায়াম বা পরিশ্রম করে তখন এই এনার্জি ড্রিংকস্ মাঝে মাঝে পান করে থাকে। ব্যায়াম ও খেলাধুলার সময় সবচেয়ে বেশি রক্ত সঞ্চালন প্রয়োজন, যাতে করে অক্সিজেন দ্রæত শরীরের কোষগুলোতে পৌঁছাতে পারে। অথচ এনার্জি ড্রিংকস্গুলো রক্তনালীর ডায়ামিটার বা প্রশস্ততা কমিয়ে দেয়। ফলে রক্তপ্রবাহ কম হয় এবং অক্সিজেন সরবরাহ স্বাভাবিকের চেয়ে কম হয়ে থাকে। এর ফলে এনার্জি ড্রিংকস্ পান করার পর কারো কার্ডিয়াক এরেষ্ট হলেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। এনার্জি ড্রিংকস্গুলোতে শুধুমাত্র ক্যাফেইন নয় বরং এলকোহলও বিদ্যমান থাকে। এনার্জি ড্রিংকস্ এর উপরে কোনো লেখা না থাকলেও কোনো কোনো ব্রান্ডে ঠিকই এলকোহল পাওয়া যায় যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এনার্জি ড্রিংকস্গুলোতে প্রচুর পরিমাণে সুগার থাকায় তা দাঁতের ক্ষয় বা ডেন্টাল ক্যারিজ সৃষ্টি করতে পারে। শুধু তাই নয় বরং ক্রমাগত এসব ড্রিংকস্ পান করলে মুখে ফাঙ্গাল সংক্রমন দেখা দিতে পারে।

এনার্জি ড্রিংকস্ বেশি পরিমাণে পান করলে ক্যাফেইন থাকার কারণে শরীর থেকে পানি বের হয়ে ডিহাইড্রেশন হতে পারে। এই ড্রিংকস্ স্বাভাবিক ক্ষুধা নষ্ট করে দেয় । রাতের বেলায় ঘুমের ব্যাঘাত হতে পারে। ক্যাফেইন এবং এলকোহল থাকার কারণে মুখ শুষ্ক হয়ে যেতে পারে । আর শুষ্ক মুখ হলে দন্তক্ষয়ের সম্ভাবনাও বেড়ে যাবে। এনার্জি ড্রিংকস্ ছাড়াও বিভিন্ন শপিং মলে ক্যানজাত ফলের রস, মাশরুম ও অন্যান্য খাবার পাওয়া যায়। ক্যানজাত খাবার বা পানীয় না খাওয়াই ভাল। কারণ এসব ফলের রসে ও খাবারে কৃত্রিম প্রিজারভেটিব ও রং ও গন্ধ মিশানো থাকে, যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। মনে রাখতে হবে দুইশ বা তিনশ টাকায় একটি ক্যানজাত ফলের রসে আপনার স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী কিছুই থাকে না। বরং ঐ টাকা দিয়ে আপনি যে কোনো পুষ্টিকর খাবার কিনে খেতে পারেন। পরিশেষে যাদের বয়স ১৮ বছরের বেশী, গর্ভবতী মহিলা বা দুগ্ধদানকারী মা, ক্যাফেইনের প্রতি সংবেদনশীল মানুষ, যাদের হৃদরোগ আছে তাদের এনার্জি ড্রিংকস্ থেকে অনেক দূরে থাকা উচিত।

About pressroom

Check Also

বাড়ির টবেই আলু চাষের সহজ ও কার্যকরী উপায়

বাজারে আলু কিনতে গিয়ে তো হাতে আগুন লাগার জোগাড়। কোথাও চল্লিশ টাকা, আবার কোথাও পঞ্চাশ। …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Powered by keepvid themefull earn money