Breaking News
Home / Health News / ফাঁকা দাঁতের চিকিৎসা!

ফাঁকা দাঁতের চিকিৎসা!

সুন্দর হাসি কে না চায়? কিন্তু দাঁত যদি হয় ফাঁকা, তাহলে তো আর সুন্দর হাসি হবে না। মাঝে মধ্যে দেখা যায়, অনেকের সামনের দাঁত বেশ ফাঁকা, তাই তারা কথা বলার সময় মুখে হাত দিয়ে ঢেকে কথা বলেন। ছোট বেলার ফোকলা দাঁতের হাসি মায়ের মনকে আনন্দে ভরিয়ে তোলে কিন্তু পরিণত বয়সে যখন নিজেকে সেই ফোকলা দাঁতের অনুভূতি নিয়ে হাসতে হয় তখন আর কষ্টের সীমা থাকে না। শুধুই কি তাই, স্বাধীনভাবে হাসতে না পেরে মানসিকভাবে অনেকেই বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন। ফলে প্রতিভা বিকাশে বাধা পায়।আমাদের মুখে প্রাপ্ত বয়স্কদের ৩২টি স্থায়ী দাঁত থাকে। প্রতিটি দাঁতের আকৃতি ভিন্ন ভিন্ন ধরনের হলেও মুখের ভেতর তা সুবিন্যাস্তভাবে থাকে পেছনের দিকের দাঁতের মাঝে ফাঁকা থাকার কারণে খাদ্য আটকে নানা রকম সমস্যা দেখা দিতে পারে। আধুনিক দন্তচিকিৎসায় এ সমস্যার স্থায়ী সমাধান রয়েছে। সাধারণত তিনটি পদ্ধতিতে এ ধরনের সমস্যার সমাধান করা হয়ে থাকে।

১. অর্থোডন্টিক চিকিৎসার মাধ্যমে,
২. লাইট কিউর কম্পোজিট ফিলিংয়ের মাধ্যমে দাঁতের রঙ মিলিয়ে ফিলিং করে ও
৩. পোরসেলিন ক্যাপের মাধ্যমে।

১। অর্থোডন্টিক পদ্ধতি : এ পদ্ধতিতে রিমুভেবল প্লেট বা ফিক্সড ব্রেস দাঁতে পরিয়ে ধীরে ধীরে সহনীয় মাত্রায় চাপ প্রয়োগ করে দাঁতগুলোকে একত্রিত করা হয়।

২। লাইট কিউর ফিলিং পদ্ধতি : এই পদ্ধতিতে দাঁতগুলোকে প্রথমে এক ধরনের অম্ল বা এসিড (৩০ শতাংশ অর্থোফসফরিক এসিড) দিয়ে ১৫-২০ সেকেন্ড দাঁতে প্রয়োগ করে আণুবীক্ষণিক গর্ত সৃষ্টি করা হয়। পরে দাঁতের শেড বা রঙ অনুযায়ী কম্পোজিট ফিলিং দাঁতের গায়ে ফাঁকা অনুযায়ী লাগিয়ে তার ওপর এক ধরনের কম ক্ষতিকারক রে (জধু) প্রয়োগে ফিলিং শক্ত করা হয়। তারপর বিভিন্ন রকম পলিশার দিয়ে ফিলিং ও বাইরের স্তর মসৃণ করা হয়।
এ ফিলিংয়ের সুবিধা হলো দাঁতের রঙ অনুযায়ী ফিলিং করা যায় এবং খরচও কম। তবে অসুবিধা হলো, শক্ত খাবার, যেমন- টোস্ট বিস্কুট, পেয়ারা, হাড়জাতীয় খাবার খেলে ফিলিং ভেঙে বা খুলে যেতে পারে।

৩। পোরসেলিন ক্যাপ : এটি একটি স্থায়ী পদ্ধতি। এ পদ্ধতিতে ভাঙা বা খুলে যাওয়ার কোনো ভয় থাকে না। এটি কিছুটা ব্যয়বহুল, তবে স্থায়ী পদ্ধতি। এতে প্রথমে দাঁতকে রুটক্যানেল করে তারপর চার পাশে কেটে কিছুটা ছোট করে আকার দেয়ার পর কৃত্রিম এক ধরনের পোরসেলিন ক্যাপ পরিয়ে দেয়া হয়। এটা পরে আর খোলা যায় না। দাঁতের রঙের সাথে মিল রেখে এ ক্যাপ তৈরি করতে হয়।
যে পদ্ধতিই রোগীরা বেছে নেন না কেন, একটা কথা কিন্তু রয়েই যায়, তা হলো অবশ্যই একজন অভিজ্ঞ ডেন্টাল সার্জনের সাহায্য নিয়ে কাজ করবেন।

About pressroom

Check Also

বাড়ির টবেই আলু চাষের সহজ ও কার্যকরী উপায়

বাজারে আলু কিনতে গিয়ে তো হাতে আগুন লাগার জোগাড়। কোথাও চল্লিশ টাকা, আবার কোথাও পঞ্চাশ। …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Powered by keepvid themefull earn money