Breaking News
Home / BCS Examination / ঈদের পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা নিয়ে অনিশ্চয়তা

ঈদের পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা নিয়ে অনিশ্চয়তা

আগামী ঈদের পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা সম্ভব হবে কিনা তা নিয়েও দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা। তবে ঈদের পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা সম্ভব না হলে ক্ষতি পুষিয়ে নিতে বিকল্প পাঠদানে জোর দেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন।

করোনাভাইরাসের কারণে গত বছরের মার্চ থেকে বন্ধ রয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। প্রায় ১৪ মাস ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সরাসরি পাঠদান বন্ধ থাকায় মারাত্মক ক্ষতির মুখে শিক্ষার্থীরা। বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের পরীক্ষার বন্ধ রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা কার্যক্রমও চলছে না। তবে ক্ষতি কিছুটা পুষিয়ে নিতে অনলাইনে ও দূরশিক্ষণ পদ্ধতির পাঠদান করা হচ্ছে। অভ্যন্তরীণ কিছু পরীক্ষা হচ্ছে অনলাইনে। তবে এতে শিক্ষা কার্যক্রমের উদ্দেশ্য পূরণ হচ্ছে না বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছে। এখন করোনা পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ায় অনিশ্চয়তা বাড়ছে। ক্রমেই পিছিয়ে যাচ্ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার তারিখ।

এতে বিভিন্ন স্তরের পৌনে চার কোটি শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। সচিব মো. মাহবুব হোসেন গণমাধ্যমকে বলেছেন, করোনায় শিক্ষার ক্ষতি অপরিমেয়। শুধু বাংলাদেশের এ সমস্যা নয়, সারা বিশ্বের। প্রত্যেকেই নিজস্ব সুবিধা ও পদ্ধতি অনুযায়ী এটি থেকে উত্তরণের কার্যক্রম চালাচ্ছে। সচিব বলেন, ‘যেখানে অনলাইন ‘অ্যাকসেস’ ভালো আছে, সরাসরি পাঠদানের ‘গ্যাপ’ সেখানে অনেকটাই পূরণ সম্ভব হয়েছে। এ ক্ষেত্রে অ্যাসাইনমেন্টও বড় রকমের সহায়তা করেছে। তবে সবখানে ‘জীবন আগে’- এ নীতি গ্রহণ করতে হচ্ছে।

ঈদের পর যদি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা সম্ভব না হয় তাহলে বিকল্প পদ্ধতির পাঠদান জোরালো করা হবে।’ তিনি আরো বলেন, ‘আমরা করোনা পরিস্থিতির শুরু থেকে সম্ভাব্য সব পদক্ষেপ নিয়েছি। দূরশিক্ষণ ও অনলাইন পদ্ধতিতে পাঠদান চলছে। শিক্ষকের তত্ত্বাবধানে নিয়ে শিক্ষার্থীদেরকে খোঁজখবর রাখা, অ্যাসাইনমেন্ট দেওয়া হচ্ছে। এমনকি তাদেরকে মানসিকভাবে সুস্থ রাখাতে কাজ করতে হচ্ছে। এর সুফলও মিলেছে।’ গত বছরের ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ।

গত ৩০ মার্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার ঘোষণা থাকলেও করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় ছুটি বাড়ানো হয়েছে ২২ মে পর্যন্ত। ছুটির মধ্যে বিকল্প পাঠদান পদ্ধতি প্রবর্তন করা হলেও কিন্তু অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতায় সব শিক্ষার্থীর কাছে তা পৌঁছাচ্ছে না। গণসাক্ষরতা অভিযানের সমীক্ষা বলছে, ৩০ শতাংশের মতো শিক্ষার্থী দূরশিক্ষণে অংশ নিয়েছে। আর ব্র্যাকের সমীক্ষা অনুযায়ী, টেলিভিশন পাঠদানে অংশ নিয়েছে ৫৬ শতাংশ শিক্ষার্থী। অর্থাৎ প্রায় অর্ধেক শিক্ষার্থীই দূরশিক্ষণ কার্যক্রমের বাইরে।

তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দাবি, ৯২ শতাংশ শিক্ষার্থী দূরশিক্ষণের অধীনে এসেছে। আর অ্যাসাইনমেন্ট দিয়ে ৮৫ শতাংশ শিক্ষার্থীকে লেখাপড়ার মধ্যে আনা হয়েছে।

About pressroom

Check Also

কঠোর পরিশ্রম ও দৃঢ় মনোবলে বিসিএস ক্যাডার হন সায়মা

ডা. সায়মা সাদিয়া শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের লেকচারার। বাবা মো. শহিদুল্লাহ, মা শারমিন আকতার। বরিশাল সরকারি …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Powered by keepvid themefull earn money