Breaking News
Home / BCS Examination / আসন্ন প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে যতজন প্রার্থীকে এমসিকিউ পরীক্ষায় পাস করানো হবে

আসন্ন প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে যতজন প্রার্থীকে এমসিকিউ পরীক্ষায় পাস করানো হবে

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (নিয়োগ শাখা) আতিক এস বি সাত্তার জানিয়েছেন, প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় একটি উপজেলায় কতজনকে টেকানো হবে সেটা মূলত পরীক্ষা কমিটি নির্ধারণ করে।তিনি বলেন, এই নিয়োগের সঙ্গে নির্ভর করে প্রার্থীর সংখ্যা, শূন্য পদের সংখ্যাসহ কয়েকটি বিষয় সম্পর্কিত। তবে এর আগের নিয়োগ পরীক্ষাগুলোতে লিখিত

পরীক্ষা থেকে শূন্য পদের চেয়ে ২.৫ থেকে ৩ গুণ বেশি প্রার্থী নেয়া হয়েছিলো। সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমে তিনি এ তথ্য জানান। এই নিয়োগ পরীক্ষা কোন পদ্ধতিতে হবে এবং কোন অংশে কত নম্বর থাকবে- এমন প্রশ্নে তিনি জানান, লাখ লাখ পরীক্ষার্থী এই পরীক্ষায় অংশ নেবেন। বেশিসংখ্যক পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা লিখিত আকারে নেয়াটা বেশ জটিল। সে কারণে এমসিকিউ পদ্ধতিতেই

পরীক্ষা হবে। এমসিকিউতে ৮০ নম্বর। এমসিকিউতে যারা পাস করবেন, তাঁদের মৌখিক পরীক্ষায় (২০ নম্বর) অংশ নিতে হবে। ‘আমাদের প্রস্তুতি হচ্ছে মাস তিনেকের মধ্যেই পরীক্ষা নেয়ার। আর পুরো নিয়োগপ্রক্রিয়া আগামী অর্থবছরের আগে অর্থাৎ জুন মাসের মধ্যে শেষ করাই আমাদের লক্ষ্য। পরবর্তী প্রেক্ষাপট বা পরিস্থিতির কারণে এর হেরফের হতে পারে।’- যোগ করেন

তিনি। এর আগে গত সোমবার প্রকাশ করা হয়েছে প্রাথমিকে ৩০ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি। আগামী ২৫ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১০টা থেকে শিক্ষক নিয়োগের আবেদন অনলাইনে নেয়া শুরু হবে। ২৪ নভেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত ১১০ টাকা ফি জমা দিয়ে এই আবেদন করা যাবে। প্রার্থীদের সর্বোচ্চ বয়স ৩০ বছর হিসেব করা হয়েছে গত ২৫ মার্চ।

অর্থাৎ ২৫ মার্চ পর্যন্ত যাদের বয়স ৩০ বছর তারা এ নিয়োগ পরীক্ষার জন্য আবেদন করতে পারবেন। তবে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত প্রার্থীর সর্বনিম্ন বয়স হতে হবে ২১ বছর। আর মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তান এবং শারীরিক প্রতিবন্ধীদের ক্ষেত্রে বয়স ধরা হয়েছে গত ২৫ মার্চ পর্যন্ত ৩২ বছর। এতদিন এইচএসসি পাসের সনদ থাকা নারীরা প্রাথমিকের শিক্ষক হতে আবেদন করতে পারলেও

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে নারী-পুরুষ উভয় প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতা ধরা হয়েছে স্নাতক। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক হতে পুরুষদের পাশাপাশি নারী প্রার্থীদেরও শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক করে গত বছরের এপ্রিলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক

নিয়োগ বিধিমালা, ২০১৯ জারি করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রাজস্ব খাতভুক্ত ‘সহকারী শিক্ষক’ এর শূন্য পদ এবং নতুন করে জাতীয়করণ করা বিদ্যালয়ে পিডিইপি-৪ এর আওতায় প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণির জন্য

রাজস্বখাতে সৃষ্ট ‘সহকারী শিক্ষক’ পদে জাতীয় বেতন স্কেলের ত্রয়োদশ গ্রেডে শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে। তিন পার্বত্য জেলা- রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন না।

About pressroom

Check Also

পরিচয়পত্র নেই প্রাথমিক শিক্ষকদের

সরকারি বিভিন্ন পেশাজীবীদের পরিচয়পত্র বা আইডি কার্ড থাকলেও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের আইডি কার্ড নেই। …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Powered by keepvid themefull earn money