Breaking News
Home / BCS Examination / বিসিএস এ যেমন সম্মান আছে তেমনি আছে ক্ষমতা!

বিসিএস এ যেমন সম্মান আছে তেমনি আছে ক্ষমতা!

এদেশের লাখো তরুণের স্বপ্ন বিসিএস ক্যাডার হওয়া। কিন্তু চাইলেই কি বিসিএস ক্যাডার হওয়া যায়! বিসিএস ক্যাডার হওয়ায় জন্য পাড়ি দিতে হয় সাত সমুদ্র তের নদী। সফলভাবে অতিক্রম করতে হয় প্রিলিমিনারি, লিখিত, মৌখিক পরীক্ষা-পুলিশ ভেরিফিকেশন সহ প্রতিটি ধাপ। এত কিছুর পরেও সবার দৃষ্টি থাকে বিসিএস এর ওপর । কারণ অনেকে মনে করেন, বিসিএস এ যেমন সম্মান আছে তেমনি আছে ক্ষমতা,আছে

শুদ্ধতা। আর বিসিএসের মতো এমন লোভনীয় চাকরি ছেড়ে যারা অন্যান্য পেশায় গিয়েছেন তাদের মধ্যে কৃষিবিদ ওবায়দুল্লাহ সাদ্দাম অন্যতম। এ পর্যন্ত তিনি দুইবার বিসিএস দিয়েছেন (৩৬ তম এবং ৩৭ তম )। আর জীবনের প্রথম বিসিএস ৩৬তম তে সফলভাবে উত্তীর্ণ হয়ে দীর্ঘদিন যাবত দেশকে সেবা দিয়েছেন কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা হিসেবে। ক্যাডার সার্ভিসের লোভনীয় এই চাকরি ছেড়ে সম্প্রতি তিনি যোগদান করেছেন হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষিতত্ত্ব বিভাগের প্রভাষক হিসেবে ।

বিসিএস ছেড়ে শিক্ষকতা পেশায় আসার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, শিক্ষকতা আমার কাছে কোন পেশা নয়। এটি পরম শ্রদ্ধার একটি জায়গা। ছাত্র অবস্থাতেই শিক্ষকতার প্রতি আমার আলাদা ভালোলাগা কাজ করতো। আর সেই স্বপ্নকে

বাস্তবায়ন করতে সুযোগ পেয়ে বিসিএস ছেড়ে শিক্ষকতায় চলে আসা । ছাত্র জীবনের অভিজ্ঞতা নিয়ে বলেন, ছাত্রজীবনে আমি খুব বেশি ভাল ছাত্র না হলেও খারাপ ছিলাম না। বন্ধুরা কোন জিনিস না বুঝলে আমি তাদের বুঝিয়ে দেয়ার চেষ্টা করতাম। স্যারদের সাথেও ভাল সম্পর্ক ছিলো। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়তাম। নিয়মিত পড়াশোনা আর সময় পেলে তাবলীগের মেহনতের সাথে যুক্ত হতাম। এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই ৩.৮১ সিজিপিএ নিয়ে অনার্স এবং ৩.৯৬ নিয়ে কৃষিতত্ত্ব বিভাগে আমি মাস্টার্স সম্পন্ন করেছি। আপনি শিক্ষার্থীদের কোন পেশাকে বেছে নিতে বলবেন?

এম প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সবার আগে নিজের ভালোলাগাকে গুরুত্ব দিতে হবে। বর্তমানে দেখা যায় ছাত্র-ছাত্রীরা শুরু থেকেই বিসিএস এর জন্য প্রস্তুতি শুরু করে। কিন্তু বিসিএস একমাত্র পেশা নয়। ছাত্র-ছাত্রীদের একাডেমিক পড়াশোনায় আগে গুরুত্ব দিতে হবে। ব্যক্তিগত জীবনে আমি মাস্টার্স এসে চাকরির জন্য

প্রস্তুতি নিয়েছি। এই জন্য গ্রুপ স্টাডি করতাম। আমাদের সেই গ্রুপ থেকে ৯০ ভাগ ছেলে সফলতার মুখ দেখার পথে। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে সাদ্দাম বলেন, গবেষণা আমার ভীষণ প্রিয় একটি কাজ। ছাত্রজীবন থেকে আমার গবেষণার প্রতি ঝোঁক বেশি। মূলত সে কারণে শিক্ষকতায় আসা। শিক্ষকতায় গবেষণা কাজের সে সুযোগ রয়েছে। আমি দেশের চাহিদা ভিত্তিক গবেষণার মাধ্যমে ভবিষ্যতে উচ্চতর ডিগ্রী অর্জন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে চাই। আপাতত এটিই আমার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা। ওবায়দুল্লাহ সাদ্দামের জন্ম রংপুরের বাবুখা গ্রামে। বাবা মো. শাহাদত আলী এবং মা মোছা: শাহাবানু। বাবা মায়ের একমাত্র ছেলে তিনি। এবং ৩ ভাই-বোনের মধ্যে দ্বিতীয়। একারণে ছোট থেকেই সকল কাজে পেয়েছেন মা-বাবার ভালোবাসা আর অনুপ্রেরণা। পেয়েছেন বড় বোন ও ছোট বোনের সহযোগিতা ।

About pressroom

Check Also

অবশেষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার কৌশল জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

করোনার কারণে বন্ধ থাকা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, ‘স্কুলগুলোর ক্লাস কখন …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Powered by keepvid themefull earn money