বাংলা ব্লগারে আপনাকে স্বাগতম, সবার আগে সঠিক তথ্য পেতে আমাদের সাথে থাকুন সব সময়। আমাদের বেশির ভাব তথ্য বিশ্লেষন করে তারপর উপস্থাপন করা হয়। শতভাগ তথ্য অনলাইন থেকে সংগ্রহ করে বিশ্লেষনের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়। আপনি চাইলে যে কোন তথ্য আমাদের কাছেও পাঠাতে পারেন।
তো চলুন আজকের বিষয়’টি নিয়ে পড়ে নেওয়া যাক….

বলা হয়ে থাকে ‘মেয়েদের মন আর আকাশের রং’ ক্ষণে ক্ষণে বদলায়। কখন যে সে কেমন আচরণ করে তা বলা মুশকিল। আপাতদৃষ্টিতে নারীদের মন পুরোপুরি না বুঝা গেলেও উপায় অবলম্বন করে তাদের মনের মতিগতি নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসা যায়। আসুন উপায়গুলো জেনে নেই-১) নারীরা সব সময়েই প্রশংসা শুনতে চায়। বিশেষ করে কোনো নারী যদি আপনার জন্য সাজে, রাঁধে কিংবা অন্য কিছু করে তাহলে সে আপনার থেকে প্রশংসা আশা করে। তবে আপনার প্রেমিকা কিংবা স্ত্রীর সামনে ভুলেও অন্য নারীর প্রশংসা করবেন না।

মানুষের মন জয় করা অত সহজ কাজ নয়। আপনি যত ভাল মানুষই হোন বা যত দান-খয়রাতিই করুন কেন মানুষের মন জয় করা চারটিখানি কথা নয়। কিন্তু কিছু সহজ উপায় নিলে মানুষের মন জয় করার অনেক কাছাকাছি চলে যাওয়া যায়। এমন সহজ উপায়গুলো দেখে নেওয়া যাক।

আপনার সঙ্গে যখন সে কথা বলছে তার কথা মন দিয়ে শুনুন। কারও মনে জায়গা পাওয়ার সেরা উপায় হল ভাল শ্রোতা হওয়া। কথা শুনে প্রয়োজন হলে প্রশ্ন করুন। ভাল লাগলে প্রশংসা করুন। পুরো কথাটা শুনে তারপর মন্তব্য করুন।কথায় ছোটখাটো পরিবর্তন বড় বদল আনে। ধরুন সামনের মানুষটা আপনাকে যে কথাটা বলল সেটা আপনার জানা কথা। তখন আপনি স্বাভাবিকভাবেই বলবেন, আমি জানি।

কিন্তু আপনি যদি সত্যি তার মনে জায়গা করতে চান তাহলে ওই কথাটা না বলে, বলুন তুমি একদম ঠিক বলেছ। দেখবেন এই ছোট পরিবর্তন আপনাকে সামনের মানুষটার মনে জায়গা করে দেবে।.কিছু বদ রাগী অথবা জেদি,অথবা দেমাগি মেয়ে আছে এদের সাথে এদের অহংকার ভেঙ্গে দেওয়ার চেষ্টা করেন যুক্তি তর্ক দিয়ে মার্জিত উপায়ে।

মোটরসাইকেল চালাতে পারলে ভালো,যদিও আমি পারি না।যদি না পারেন তাহলে রিক্সায় করে বেরোতে পারেন।
কোথাও আপনাদের যাওয়ার কথা আর দেখলেন আপনার সঙ্গী আপনাকে নিতে হাজির। আপনি অবাক হবেন, এটাই স্বাভাবিক। সেখান থেকেই বুঝতে পারবেন, সে আপনার প্রতি কতটা যত্নবান। কারণ, সে এটা আপনাকে দেখানোর জন্য শুধু একবারই করেনি। এমন কাজ সে বহুবারই করেছে। আর ভালোবাসা মানে এই নয় যে, সারাক্ষণ ‘ভালোবাসি’ এই কথাটা বলা।

ভালোবাসা মানে দায়িত্ব পালন করা, যত্ন নেওয়া, বিপদ থেকে রক্ষা করা—আরো অনেক কিছু। এগুলো না থাকলে বুঝবেন, সে আপনাকে সত্যি ভালোবাসে না। আর যাঁর মধ্যে এসব বিষয় কাজ করে, তাঁকে ছেড়ে দিয়ে বোকামি করবেন না।সবাই ভুল করে। আপনিও ব্যতিক্রম নন। তবে অতীতের ভুলগুলো পুনরায় করবেন না। এই ভুলগুলো থেকে শিক্ষা নিয়ে সম্পর্ককে সাজানোর চেষ্টা করুন। দেখবেন, সত্যিকারের ভালোবাসা আপনার কাছে ঠিকই ধরা দেবে সবশেষে বলব হাজারো উপায় হয়তো আছে কাউকে আপনার দিকে নিয়ে আসার এগুলো হচ্ছে শুধু কিছু বেসিক অ্যাপ্রোচ।

এ ম্যানর গুলো হয়তো আমরা সবাই জানি কিন্তু মানি না।সুতরাং আপনার কথা বলা,আচরণ,দৃষ্টি,বিশ্বাস আপনাকে আলাদা করতে পারে আরেকজনের কাছে।যদি আপনার ভালোবাসার মানুষের কাছে অপশন ও থাকে তাহলে আপনার পজিটিভ অ্যপ্রোচ আপনাকে জয়ী করে দিতে পারে সহজেই।কারণ,সব মেয়েই চায় ডিফারেন্ট কোন কিছু।আর ভালবাসা হওয়ার পর,তাকে আগের মতই ট্রিট করবেন,সম্মান দিবেন,ভালোবাসার রূপ বদলাবেন যেন ভালোবাসা পুরনো ও একঘেয়ে না হয়ে যায় কখনো,আর একটা স্বপ্ন বুনে দেওয়ার চেষ্টা করবেন,যেই স্বপ্ন কে সাথী করে আপনার সাথে থাকবে সর্বদা আপনার ভালোবাসার মানুষটি

বিয়ের আগে যেসব কথায় মোটেও কান দেবেন না! হল একটি সামাজিক বন্ধন বা বৈধ চুক্তি যার মাধ্যমে দু’জন মানুষের মধ্যে দাম্পত্য সম্পর্ক স্থাপিত হয়। বিভিন্ন দেশে সংস্কৃতিভেদে বিবাহের সংজ্ঞার তারতম্য থাকলেও সাধারণ ভাবে বিবাহ এমন একটি প্রতিষ্ঠান যার মাধ্যমে দু’জন মানুষের মধ্যে ঘনিষ্ঠ ও যৌন সম্পর্ক সামাজিক স্বীকৃতি লাভ করে।

বিয়ে আমাদের জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। সকলেই নিজের বিয়ে, বিশেষ করে মেয়েরা বিয়ে নিয়ে অনেক বেশী ভাবেন। বিয়ে ঠিক হবার পর সব মেয়েই খুব নার্ভাস থাকেন পুরো ব্যাপারটা নিয়ে। একে তো নিজের মা-বাবা-পরিবারকে ছেড়ে দূরে চলে যাবার ভয়, অন্যদিকে আগামী জীবনটা কেমন হবে কিংবা সকলের সাথে মানিয়ে নিতে পারবেন কিনা সেই দুশ্চিন্তা। চলুন, জেনে নিই এমন ৫টি কথা ও সেগুলো থেকে বাঁচার উপায়।

১) বিয়ের সময়ে সবচাইতে বেশী কনেকে যেটা শুনতে হয়, সেটা হচ্ছে সকলের উপদেশ। যার সাথেই দেখা হোক না কেন, সকলেই কিছু না কিছু উপদেশ দেবেনই দেবেন। এখন সবার উপদেশ যদি শুনতে জান, তাহলে অবস্থাটা কী হবে ভাবুন তো? নিজের পরিবারের বাইরে অন্য কারো উপদেশ কানে নেয়ার কোন দরকার নেই। জীবন আপনার, সিদ্ধান্ত আপনিই নিন।

২) একদল মানুষ দেখা যায়, যারা বিয়ের কথা শুরু মাত্রই কনেকে নানান রকম ভয় দেখান। বিশেষ করে শ্বশুরবাড়ি সম্পর্কে। শ্বশুরবাড়ি কখনো ভালো হয় না, শাশুড়ি কখনো মা হতে পারেন না ইত্যাদি কথায় বেচারি কনের মনকে বিয়ের আগেই বিষিয়ে দেন। এমন মানুষ থেকে শত হস্ত দূরে থাকুন। আর বিয়ের পর কোনভাবেই তাকে নিজের জীবনে প্রবেশ করতে দেবেন না।

৩) নিজের বোন বা বান্ধবীদের মাঝেই এমন অনেককে পেয়ে যাবেন, যারা কিনা দাম্পত্য নিয়ে ভয় দেখাবে আপনাকে। বিয়ের পর স্বামী বদলে যান, বিয়ের আগে যেমন ভালোবাসেন বিয়ের পর আর তেমনটা বাসবেন না, বিয়ের পর স্বামী হয়ে যাবেন খিটখিটে আর অচেনা ইত্যাদি হরেক রকম কথা বলবেন তাঁরা আপনাকে। এসব কানে নেবেন না মোটেও। মনে রাখবেন, সকল মানুষ এক রকম হয় না। সকলের জীবনও এক রকম হয় না।

৪) এভাবে সাজলে ভালো লাগবে, অমুক পার্লারে অবশ্যই যাওয়া চাই, অমুক শাড়ি-গয়না না কিনলে চলবেই না ইত্যাদি হরেক রকম উপদেশের কোন অভাব হবে না। এসব উপদেশের ভিড়ে নিজের আসল সুখটুকুকে দূরে ঠেলে দেবেন না। বিয়ে মানে শাড়ি-গয়না-সাজ নয়, বিয়ে মানে প্রিয়জনের সাথে বন্ধন। আর একজনকে যেটা মানিয়ে গেছে, আপনাকেও মানাবে এমন কোন কথা নেই। তাই অস্থির হবেন না লোকের কথায়।

৫) অনেকেই বিয়ের কনেকে নিজের তিক্ত দাম্পত্যের নানান অভিজ্ঞতা বা বিয়ের দিনের নানান দুর্ঘটনার গল্প শুনিয়ে থাকেন। এগুলো শুনে মনে হতেই পারে যে তাঁরা আপনার উপকার করার চেষ্টা করছেন। কিন্তু আসলে এগুলোতে কান দিলে উল্টো নতুন জীবন শুরু আগেই মন বিষয়ে যাবে আপনার। তাই কেউ এসব বলতে শুরু করলেই পাশ কাটিয়ে যান।

ইসলামী বিবাহরীতি
ইসলাম ধর্মে বিবাহের মাধ্যমে নারী ও পুরুষের মধ্যকার যৌন সম্পর্কের অনুমতি রয়েছে। ইসলামী বিবাহরীতিতে পাত্র পাত্রী উভয়ে র সম্মতি এবং বিবাহের সময় উভয়পক্ষের বৈধ অভিভাবক বা ওয়ালীর উপস্থিতি ও সম্মতির প্রয়োাজন। সূত্র: ইন্টারনেট

News Reporter

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *