বাংলা ব্লগারে আপনাকে স্বাগতম, সবার আগে সঠিক তথ্য পেতে আমাদের সাথে থাকুন সব সময়। আমাদের বেশির ভাব তথ্য বিশ্লেষন করে তারপর উপস্থাপন করা হয়। শতভাগ তথ্য অনলাইন থেকে সংগ্রহ করে বিশ্লেষনের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়। আপনি চাইলে যে কোন তথ্য আমাদের কাছেও পাঠাতে পারেন।
তো চলুন আজকের বিষয়’টি নিয়ে পড়ে নেওয়া যাক….

কিশমিশ তৈরি করা হয় সূর্যের তাপ অথবা মাইক্রোওয়েভ ওভেনের সাহায্যে। খাবারে স্বাদ কিংবা সুন্দরের জন্যে আমরা সাধারণত কিশমিশ ব্যবহার করে থাকি। কিশমিশের নানাবিধ শারীরিক উপকারিতা রয়েছে। তাই এখনই কিশমিশ খাওয়া শুরু করে দিন।

তবে এ থেকে পুরোপুরি স্বাস্থ্য উপকারিতা পেতে চাইলে পানিতে ভিজিয়ে রেখে খেতে হবে। লক্ষণীয় একটি বিষয় কিশমিশ আবার খুব বেশিদিন নিয়ম করে খেতে হয় না। অন্তত চার দিন এ পানি পান করুন। দেখুন জাদুকরী ফল। পেট পরিষ্কার হবে। এবং অনেক বেশি সুস্থ বোধ করবেন ৷

যেভাবে তৈরি করবেন কিশমিশের পানিঃ কিশমিশের পানি বানানো খুব সহজ ৷ দুই কাপ পানিতে ১৫০ গ্রাম কিশমিশ লাগবে ৷ খুব চকচকে কিশমিশ কিনবেন না ৷ এছাড়া খুব শক্ত বা খুব নরম কিশমিশ নেবেন না ৷একটি পাত্রে দুই কাপ পানি নিয়ে তার মধ্যে কিশমিশ ভিজিয়ে রাখুন।

সকালে কিশমিশ ছেকে নিয়ে সেই পানিটুকু উষ্ণ গরম করে খালি পেটে পান করুন। এরপর আধঘণ্টা পানাহার থেকে বিরত থাকুন। অন্তত চার দিন এ পানি পান করুন। দেখুন জাদুকরী ফল।

কিশমিশের পানি পানের উপকারিতা: পেটের গণ্ডগোল, লিভারে সমস্যা এখন ঘরে ঘরে ৷ তাই ওষুধ খাওয়ার বদলে ঘরোয়া উপায়েই এই সমস্যার সমাধান সম্ভব ৷ পেটের সমস্যা ছাড়াও রক্তস্বল্পতায় যারা ভুগছেন, তাঁদের জন্যও যথেষ্ট উপকারী এই কিশমিশ ৷

এতে রয়েছে নানা ধরনের ভিটামিন এবং মিনারেল ৷ তাই যাদের শুধু শুধু কিশমিশ খেতে ভাল লাগে না ৷ তারা অবশ্যই কিশমিশের পানি পান করুন। এর ফলে ক্ষতিকারক পদার্থ পেটে জমলে তা দূর হওয়ার পাশাপাশি হজমশক্তিও বাড়বে।

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে, বিষাক্ত পদার্থ দূর করে রক্ত শুধু পরিষ্কারই করে না, পাশাপাশি রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে কিশমিশ। মূলত কিশমিশে থাকা পটাসিয়াম রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। সাধারণত উচ্চ মাত্রার সোডিয়াম শরীরে রক্তচাপ বাড়ায়। কিশমিশ শরীরে সোডিয়ামের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। কিশমিশের পানি খেলে লিভারে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়া শুরু হয় যার দরুন শরীরের অভ্যন্তরে দ্রুত রক্ত পরিশোধন হতে থাকে।

এক সপ্তাহ কিশমিশের পানি পান করলে পেট একদম পরিষ্কার হয়ে যাবে, পেটের গন্ডগোল থাকবে না সেইসঙ্গে ভরপুর শক্তি পাবেন। এছাড়া কিশমিশ হার্টকে ভালো রাখে এবং ক্ষতিকারক যে কোলেস্টেরল রয়েছে তা দূর করে।

4.বয়সের ছাপ বিলম্বিত করে, কিশমিশে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা আমাদের শরীরের কোষগুলোকে ক্ষয়ের হাত থেকে রক্ষা করে। ত্বক ভালো রাখে, বয়সের ছাপ সহজে পড়তে দেয় না। রক্তশূন্যতা রোধ করে, রক্তে লৌহের পরিমাণ কম হলে অবশাদ, দুর্বলতা!

হতাশায় ভুগতে পারেন, ব্যহত হতে পারে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও। কিশমিশে প্রচুর পরিমাণে লৌহ আছে যা রক্তশূণ্যতায় ভোগা রোগির খুবই উপকারি। অ্যাসিডিটি স্বাভাবিক করে, অতিরিক্ত অ্যাসিডিটি বা রক্ত দুষিত হওয়াকে বলে অ্যাসিডোসিস, যা থেকে আরথ্রাইটিস, চামড়া রোগ, হৃদরোগ এবং ক্যান্সার হতে পারে।

দাঁতের জন্য ভালো, কিশমিশের শর্করা মূলত ফ্রুক্টোজ এবং গ্লুকোজ জাতীয়। ফলে দাঁতে কোনো ক্যাভিটি তৈরি হয় না। সকালের নাশতা অথবা দুপুরের সালাদে কিশমিশ রাখতে পারেন নির্দ্বিধায়।

News Reporter

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *